A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: mysqli::real_connect(): Headers and client library minor version mismatch. Headers:100324 Library:30120

Filename: mysqli/mysqli_driver.php

Line Number: 201

Backtrace:

File: /home/bnnews24/public_html/application/controllers/SS_shilpi.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/bnnews24/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

জামিন জালিয়াতি: আইনজীবীসহ ৩ জনকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৭ জৈষ্ঠ্য ১৪২৯, ১৮ রজব ১৪৪৪

জামিন জালিয়াতি: আইনজীবীসহ ৩ জনকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ


প্রকাশ: ৯ জুন, ২০২১ ১১:৪১ পূর্বাহ্ন


জামিন জালিয়াতি: আইনজীবীসহ ৩ জনকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ

বগুড়ায় মোটর মালিক গ্রুপে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের মামলায় জামিন জালিয়াতির অভিযোগে দুই আইনজীবীসহ তিনজনকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
 
বুধবার (০৯ জুন) বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
 
হাইকোর্ট বলেছেন, জামিন জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
 
ভুয়া আগাম জামিন আদেশ তৈরির ঘটনায় দুই আইনজীবীসহ চারজন জড়িত। হাইকোর্টে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দাখিল করা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
 
তারা হলেন- ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী রাজু আহমেদ রাজীব, বগুড়া আদালতের আইনজীবী তানজীম আল মিসবাহ, ঢাকা জজ কোর্টের কম্পিউটার অপারেটর মাসুদ রানা ও ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী সহকারী মো. সোহাগ।
 
কারাগারে থাকা সোহাগ ইতোমধ্যেই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সামিরা তারান্নুম মিতি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
 
প্রতিবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত দুই আইনজীবী ও কম্পিউটার অপারেটর মাসুদ রানাকে দুই সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ২৩ জুন হাইকোর্টে হাজির হতে বলা হয়েছে।
 
গত ৯ ফেব্রুয়ারি বগুড়ায় দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি তিনটি মামলা হয়। এরমধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনের ছোটভাই মশিউল আলম বাদী হয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি বগুড়া থানায় মামলা করেন। মামলায় যুবলীগের সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলামসহ ৩৩ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় হাইকোর্ট থেকে আমিনুল ইসলামসহ ৩০ জনের জামিন নেওয়ার একটি আদেশনামা (জামিন আদেশ) তৈরি করা হয়।
 
আদেশনামায় দেখানো হয়েছে যে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে আসামিদের ৬ সপ্তাহের জামিন দেওয়া হয়েছে। এই জামিন শেষে তাদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ভুয়া আদেশের তথ্য সংশ্লিষ্ট আদালতের নজরে আসে। এরপর এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আরজি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি যুবলীগের সহ-সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) ও কাউন্সিলর আমিনুল ইসলামসহ ৩০ আসামিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন আদালত।
 
এই আদেশ বাস্তবায়ন করে সাতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বগুড়া সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।


   আরও সংবাদ